অধ্যক্ষের বাণী

ফুলবাড়ীয়া কলেজের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রত্যাশা

ফুলবাড়ীয়া কলেজের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও ভালোবাসা।

শিক্ষা মানুষের জীবনকে আলোকিত করে, জ্ঞানের দুয়ার খুলে দেয় এবং মানুষকে স্বপ্ন দেখার সাহস জোগায়। আর একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেই আলোর মশাল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহন করে চলে। একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণে তাই একটি মানসম্মত ও আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অপরিসীম।

পৃথিবীতে কেউই পূর্ণাঙ্গ প্রতিভা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে না। মানুষের অন্তর্নিহিত সম্ভাবনা ও সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হয় নিরলস অধ্যবসায়, একাগ্র সাধনা, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং একটি সুন্দর ও অনুকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে। আর এই বিকাশযাত্রার সবচেয়ে নিবেদিত সহযাত্রী হলেন একজন শিক্ষক। শিক্ষকের জ্ঞান, মেধা, প্রজ্ঞা, মমতা ও নিরন্তর অনুপ্রেরণায় একজন শিক্ষার্থী শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করে না—সে স্বপ্ন দেখতে শেখে, নিজেকে আবিষ্কার করতে শেখে, ভালো মানুষ হতে শেখে এবং একদিন নিজের স্বপ্নকে বাস্তবতার মাটিতে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয়ে এগিয়ে যায়।

শিক্ষকদের এই মহৎ পথচলার আড়ালে নীরবে, নিষ্ঠার সঙ্গে সহযোগিতা করে চলেন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিচালনা, ধারাবাহিক উন্নয়ন ও গৌরবময় অগ্রযাত্রার জন্য প্রয়োজন সুদৃঢ় নেতৃত্ব, দূরদর্শী পরিকল্পনা, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং সর্বোপরি সম্মিলিত প্রয়াস।

গভর্নিং বডির সম্মানিত সভাপতি মহোদয়ের নেতৃত্বে বিজ্ঞ সদস্যবৃন্দের প্রজ্ঞাপূর্ণ পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা, শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা, শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের আস্থা ও সহযোগিতা—এই সম্মিলিত শক্তিই একটি প্রতিষ্ঠানকে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের পথে এগিয়ে নেয়।

ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাসে ফুলবাড়ীয়া কলেজ

ফুলবাড়ীয়া কলেজের বর্তমান গৌরবময় অবস্থানের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের শ্রম, ভালোবাসা, ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস। এই ইতিহাস শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস নয়; এটি ফুলবাড়ীয়ার মানুষের শিক্ষা, অধিকার, আত্মমর্যাদা ও স্বপ্নের ইতিহাস।

বিশেষ করে ২০১৬ সালের কলেজ সরকারিকরণ আন্দোলন ফুলবাড়ীয়ার ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। ঐতিহ্যবাহী এই কলেজকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, রাজনৈতিক-সামাজিক ব্যক্তিত্ব, কৃষক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষ তখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। দাবিটি ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছিল একটি গণদাবিতে। রাজপথে উচ্চারিত হয়েছিল সরকারিকরণের প্রত্যয়, আর ফুলবাড়ীয়ার মানুষের হৃদয়ে জন্ম নিয়েছিল একটি স্বপ্ন—এই প্রিয় বিদ্যাপীঠ একদিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা লাভ করবে।

কিন্তু সেই পথ ছিল কণ্টকাকীর্ণ। আন্দোলনের উত্তাল সময়ে ফুলবাড়ীয়া কলেজকে কেন্দ্র করে যে সংঘাত, বাধা, মামলা-মোকদ্দমা ও নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছিল, তা আজও এই জনপদের মানুষের স্মৃতিতে বেদনাবিধুর হয়ে আছে। প্রতিপক্ষের দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার বোঝা বহন করতে হয়েছে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অনেক মানুষকে।

এমনকি একসময় কলেজের পবিত্র শিক্ষাঙ্গনে প্রবেশ করে নিরীহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর যে নিষ্ঠুর ও নির্মম হামলা-নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে অত্যন্ত বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে আছে।

এই সংগ্রামের পথে আমরা হারিয়েছি প্রিয় মানুষ। হারিয়েছি আবুল কালাম আজাদ স্যারকে—যাঁর মৃত্যু সরকারিকরণের আন্দোলনের ইতিহাসে এক গভীর শোকের স্মারক হয়ে আছে। হারিয়েছি ছফর আলীকেও। তাঁদের জীবন ও আত্মত্যাগ ফুলবাড়ীয়ার মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে।

তাঁরা আমাদের কাছে কেবল অতীতের কোনো নাম নন; তাঁরা একটি স্বপ্নের সঙ্গে যুক্ত ত্যাগের প্রতীক।

পরবর্তী সময়েও ফুলবাড়ীয়ার মানুষের সংগ্রামী চেতনা থেমে থাকেনি। জুলাইয়ের গণআন্দোলনে তরুণ প্রাণের আত্মত্যাগ আমাদের আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে—অন্যায়, বৈষম্য ও অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে মানুষের প্রত্যয় কত গভীর হতে পারে।

সেই বেদনাবিধুর অধ্যায়ে জুলাই শহীদ রিদওয়ান হোসাইন সাগরের জীবনদান ফুলবাড়ীয়ার মানুষের হৃদয়ে নতুন করে শোক, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধের জন্ম দিয়েছে। তাঁর আত্মত্যাগও আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন কখনো বৃথা যায় না।

আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি আন্দোলনের সেইসব সাহসী মানুষকে, যারা ভয়, বাধা, মামলা, নির্যাতন ও প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে তাঁদের অবস্থানে অবিচল ছিলেন। তাঁদের ত্যাগের কারণেই ফুলবাড়ীয়া কলেজের সরকারিকরণের স্বপ্ন আজও মানুষের হৃদয়ে জীবন্ত।

তাঁদের স্মৃতি আমাদের জন্য একই সঙ্গে শোকের, গৌরবের এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা।

ঐতিহ্য থেকে সম্ভাবনার পথে

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯৮০ সালে এমপিওভুক্ত এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ পথপরিক্রমায় আজ ফুলবাড়ীয়ার শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য ও সামাজিক অগ্রযাত্রার এক উজ্জ্বল বাতিঘরে পরিণত হয়েছে।

প্রায় তিন একর বিস্তৃত সবুজ-শ্যামল ও মনোরম পরিবেশে দাঁড়িয়ে থাকা কলেজের সুউচ্চ ভবনগুলো যেন প্রতিদিনই তার গৌরবময় অতীত, সমৃদ্ধ বর্তমান এবং সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের কথা বলে। এই প্রাঙ্গণে প্রতিদিন উচ্চারিত হয় জ্ঞানের কথা, জন্ম নেয় নতুন স্বপ্ন এবং তৈরি হয় আগামীর সম্ভাবনাময় মানুষ।

বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ ও বিএমটি শাখা, স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি এবং বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম চালু রয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বাংলা, ইংরেজি, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, প্রাণিবিদ্যা, হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা—এই সাতটি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) বা অনার্স কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। ফলে ফুলবাড়ীয়া কলেজ আজ শুধু একটি কলেজ নয়; এটি এ অঞ্চলের উচ্চশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

হাজারো শিক্ষার্থীর পদচারণায় প্রতিদিন মুখরিত এই প্রিয় বিদ্যাপীঠ। এই প্রাঙ্গণে প্রতিদিন নতুন স্বপ্নের জন্ম হয়, নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যায় এবং নতুন প্রত্যয়ে পথচলা শুরু হয়।

একজন শিক্ষার্থী যখন এই প্রতিষ্ঠানের আঙিনা পেরিয়ে জীবনের বৃহত্তর অঙ্গনে প্রবেশ করে, তখন তার সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত হয় এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক এবং সমগ্র ফুলবাড়ীয়া পরিবারের ভালোবাসা ও প্রত্যাশা।

ফুলবাড়ীয়া কলেজের শিক্ষা শুধু শ্রেণিকক্ষের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতি, ক্রীড়া, সহশিক্ষা কার্যক্রম, শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব বিকাশ ও মানবিক মূল্যবোধ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিষ্ঠানটি তার স্বকীয়তার স্বাক্ষর রেখে চলেছে।

কলেজের বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের চৌকস, সুশৃঙ্খল ও প্রশিক্ষিত দল বিভিন্ন পর্যায়ে সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সুনামকে আরও সমৃদ্ধ করছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি ও পুরস্কার অর্জন আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ পুরো ফুলবাড়ীয়া পরিবারকে গর্বিত ও অনুপ্রাণিত করে।

আমাদের অঙ্গীকার

আমাদের প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা, শ্রম ও ত্যাগ। রয়েছে শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতা, শিক্ষার্থীদের মেধা ও অধ্যবসায়, অভিভাবকদের আস্থা এবং সর্বোপরি ফুলবাড়ীয়াবাসীর অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও সহযোগিতা। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আমাদের পথচলার সবচেয়ে বড় শক্তি এবং প্রতিটি নতুন অর্জনের প্রেরণা।

আমরা বিশ্বাস করি—একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার ভবন নয়, তার মানুষ; তার প্রকৃত পরিচয় শুধু তার অর্জনে নয়, বরং আগামী প্রজন্মের জন্য সে কী রেখে যেতে পারে, তার মধ্যেই নিহিত।

তাই আমাদের কাছে শিক্ষা মানে শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল নয়; শিক্ষা মানে জ্ঞান, নৈতিকতা, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ, দেশপ্রেম এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণের সক্ষমতা অর্জন।

২০১৬ সালের আন্দোলনের শহীদ ও নির্যাতিত মানুষের স্মৃতি, আবুল কালাম আজাদ স্যার ও ছফর আলীর আত্মত্যাগ এবং জুলাই শহীদ রিদওয়ান হোসাইন সাগরের জীবনদানের বেদনা আমাদের কাছে কেবল স্মরণ করার বিষয় নয়; এগুলো আমাদের দায়িত্ববোধের অংশ।

তাঁদের আত্মত্যাগকে সম্মান করার সবচেয়ে বড় পথ হলো একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল, মানবিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা—যেখানে কোনো শিক্ষার্থী স্বপ্ন হারাবে না, কোনো প্রতিভা অবহেলিত হবে না এবং শিক্ষা হবে মানুষের অধিকার ও মুক্তির প্রধান শক্তি।

এই আদর্শ ও বিশ্বাসকে হৃদয়ে ধারণ করেই ফুলবাড়ীয়া কলেজ এগিয়ে যাচ্ছে জ্ঞান, মানবিকতা, নৈতিকতা ও সাফল্যের পথে।

আমাদের প্রত্যাশা—এই প্রতিষ্ঠান থেকে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা নিজেদের আলোকিত করার পাশাপাশি পরিবার, সমাজ, দেশ ও মানবতার কল্যাণে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগাবে।

জাতীয়করণের প্রত্যাশা

ফুলবাড়ীয়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, ভালোবাসা, সংগ্রাম ও স্বপ্নের সঙ্গে একাত্ম হয়ে আমরা আশাবাদী—অচিরেই সরকারের সদয় বিবেচনায় ঐতিহ্যবাহী, সম্ভাবনাময় এবং গণমানুষের ভালোবাসায় গড়ে ওঠা ফুলবাড়ীয়া কলেজ জাতীয়করণের মর্যাদা লাভ করবে।

জাতীয়করণ কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক মর্যাদা পরিবর্তন নয়; এটি হবে দীর্ঘদিনের একটি গণপ্রত্যাশার স্বীকৃতি, বহু মানুষের ত্যাগের প্রতি সম্মান এবং এই অঞ্চলের শিক্ষার ভবিষ্যতের প্রতি রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।

জাতীয়করণের মাধ্যমে ফুলবাড়ীয়াসহ আশপাশের জনপদের অসংখ্য শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত ও সুগম হবে এবং এ অঞ্চলের শিক্ষার সামগ্রিক অগ্রযাত্রা আরও গতিশীল হবে।

আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়; আমাদের লক্ষ্য একটি আলোকিত প্রজন্ম, একটি শিক্ষিত ও মানবিক সমাজ এবং একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় ফুলবাড়ীয়া গড়ে তোলা।

ফুলবাড়ীয়া কলেজ তার গৌরবময় ঐতিহ্যকে হৃদয়ে ধারণ করবে, অতীতের ত্যাগকে সম্মান করবে, বর্তমানের সাফল্যকে আগামী দিনের শক্তিতে রূপান্তর করবে এবং ভবিষ্যতের অপার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে অবিরাম এগিয়ে যাবে—আলোর পথে, জ্ঞানের পথে, মানবিকতার পথে, সাফল্যের পথে।

এই গৌরবময় অগ্রযাত্রায় ফুলবাড়ীয়াবাসীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা, শুভকামনা ও দোয়া একান্তভাবে প্রত্যাশা করছি।

যারা এই প্রতিষ্ঠানের জন্য জীবন দিয়েছেন, সংগ্রাম করেছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন এবং স্বপ্ন দেখেছেন—তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা অঙ্গীকার করছি, তাঁদের স্বপ্নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ, মর্যাদাপূর্ণ ও মানবিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জয় হোক শিক্ষার।
জয় হোক জ্ঞানের।
জয় হোক মানবিকতার।
জয় হোক সংগ্রামী চেতনার।
জয় হোক ফুলবাড়ীয়া কলেজের।

ড. গোপাল চন্দ্র সরদার

অধ্যক্ষ
ফুলবাড়ীয়া কলেজ
ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ।
মোবাইল: ০১৭২০৫০৬১৬৪

নোটিশ বোর্ড

ভিজিটর

  • মোট ভিজিটর : 112490
  • আজকের ভিজিটর : 21
  • বর্তমানে অনলাইনে আছে : 1